Showing posts with label বাংলা জোকস্. Show all posts
Showing posts with label বাংলা জোকস্. Show all posts

Wednesday, August 16, 2017

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া চট্টগ্রাম বিষয়ক একটি গল্প

চট্টগ্রামের এক লোক বৃষ্টির পানির মধ্যে ড্রেনে পড়ে মারা গেলেন। তিনি স্বর্গে গিয়ে দেখলেন বিশাল এক দেয়াল। সেই দেয়ালখানা ঘড়িতে পরিপূর্ণ। তা দেখে মৃত লোকটি স্বর্গের দূতকে জিজ্ঞাসা করলেন, এখানে এতগুলো ঘড়ি কেন?
স্বর্গের দূত: এগুলো হল মিথ্যা ঘড়ি। প্রত্যেক মানুষের জন্য একটি করে রাখা আছে। দুনিয়াতে থাকা অবস্থায় কেউ যদি একবার মিথ্যা কথা বলে তাহলে ঘড়ির কাঁটা একবার ঘুর
বে, দুটি মিথ্যা কথা বললে দুইবার ঘুরবে। এভাবে যে যতবার মিথ্যা কথা বলবে তার ঘড়ির কাঁটা ততবার ঘুরবে।
মৃত ব্যক্তি: আচ্ছা, ওই ঘড়িটি কার?
স্বর্গের দূত: এটা মাদার তেরসার ঘড়ি। এটার কাঁটা একবারও ঘুরেনি,তার মানে তিনি জীবনে একটি মিথ্যাও বলেননি।
মৃত ব্যক্তি: আচ্ছা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আর সিডিএতে যেসব রাজনীতিবিদ আছেন তাদের ঘড়িগুলো কই?
স্বর্গের দূত: দেখুন, সাধারণত বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের ঘড়িগুলো আমাদের অফিসরুমে থাকে। ওগুলো আমরা টেবিল ফ্যান হিসেবে ব্যবহার করি। কিন্তু চট্রগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আর সিডিএতে যেসব রাজনীতিবিদ আছেন তাদের ঘড়ির কাঁটাগুলো আমরা হেলিকপ্টার উড়ানোর কাজে ব্যবহার করি। ওগুলো এত জোরে ঘুরে যে অফিসিয়াল কোনো কাজে ব্যবহারের জো নেই।

Monday, December 9, 2013

একটু সাবধানে পইড়েন /...............:)

একটু সাবধানে পইড়েন
এক বন্ধু আরেক বন্ধুর সাথে গল্প করতেছে,

...
১মঃ জানিস , গতকাল আমি ফেসবুকে এক মেয়ে কে কিছু মজার কথা বলায় সে লিখেছিলো.. "lol"।
২য়ঃ এর মানে সে রাজি !! সে তোর জন্য প্রস্তুত্, তুই তাকে লেখে দে↓↓


"olo" (!!)
১মঃ মানে? এটা কেন লেখব?
২য়ঃ আরে বুঝিস না....↓↓









"lol" মানে বুঝায় ২ পায়েরমাঝে একটা গর্ত, আর "olo" মানে বুঝায় ২ বলের মাঝেএকটা........ .

কেরামত বিয়া করছে...

কেরামত বিয়া করছে...
বাসর
রাতে বৌ কে আদর
করতে গেল....
বৌ তো রেগে গেল!
বৌ: খবরদার! আমার কাছে আসবেনা!
কেরামত: (অবাক হয়ে) কেন?!?
বৌ: কারন আমি মাকে কথা দিছি...
-
-
- -
-
-
-
-
- -
বিয়ের পর এসব ছেড়ে দেব!
‼ ল্যাও ঠ্যালা
► জোকস্
বুঝে মজা পাইলে ধুমধারাক্কা লাইক
মারেন!

বাড়িতে বস কে?

 
গৃহপরিচারিকার কাছে পল্টু আর সুমিকে রেখে বেড়াতে গেছেন ওদের বাবা-মা। গৃহপরিচারিকাকে বাবার চেয়ারে বসতে দেখে চেঁচিয়ে উঠল সুমি, ‘তুমি আমার বাবার চেয়ারে বসলে কেন?’
গৃহপরিচারিকা: বাবা তো এখন বাসায় নেই। তা ছাড়া এখানে আমিই সবচেয়ে বড়, সুতরাং আমিই তোমাদের বস।
পল্টু: তাহলে তুমি মায়ের চেয়ারে বসো।